Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2022

Conjunctivitis (কনজাংটিভাইটিস) বা চোখ ওঠা রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার।

  লক্ষণ ও উপসর্গ ১। চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যাওয়া। ২। চোখের পাতা ফুলে যাওয়া। ৩। ঘুম হতে উঠার পর চোখের দুই পাতা একসঙ্গে লেগে থাকা। ৪। চোখ দিয়ে পানি পড়া। ৫। চোখের জ্বালাপোড়া ও চুলকানি হওয়া। ৬। চোখে হলুদ বা সাদা রঙের ময়লা জমা। ৭। আলোতে কষ্ট হওয়া। ৮। দেখতে সমস্যা হওয়া। উল্লেখ্য ভাইরাসজনিত  চোখ ওঠায় পাতলা বর্ণহীন পানি পড়ে বেশি। তবে  ব্যাক্টেরিয়াজনিত  হলে নিঃসরণটি ঘন ও একটু হলদেটে হয়ে থাকে। প্রতিকার ১। চোখের হাত না দেয়া। ২। পুকুর বা নদী-নালায় গোসল না করা। ৩। চোখের কালো চশমা ব্যবহার করা। ৪। রুমালের পরিবর্তে নরম ও পরিষ্কার টিস্যু ব্যবহার করুন। ৫। ধুলাবালি, আগুন ও রোদে কম যাওয়া। ৬। তোয়ালেসহ অন্যান্য জিনিস পরিবারের সবাই আলাদা ব্যবহার করা। ৭। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়া। ৮। চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া।

Pink eye (conjunctivitis) বা চোখ ওঠা রোগ - রোগের লক্ষন ও প্রতিকার

লক্ষণ ও উপসর্গ ১। চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যাওয়া। ২। চোখের পাতা ফুলে যাওয়া। ৩। ঘুম হতে উঠার পর চোখের দুই পাতা একসঙ্গে লেগে থাকা। ৪। চোখ দিয়ে পানি পড়া। ৫। চোখের জ্বালাপোড়া ও চুলকানি হওয়া। ৬। চোখে হলুদ বা সাদা রঙের ময়লা জমা। ৭। আলোতে কষ্ট হওয়া। ৮। দেখতে সমস্যা হওয়া। উল্লেখ্য ভাইরাসজনিত  চোখ ওঠায় পাতলা বর্ণহীন পানি পড়ে বেশি। তবে  ব্যাক্টেরিয়াজনিত  হলে নিঃসরণটি ঘন ও একটু হলদেটে হয়ে থাকে। প্রতিকার ১। চোখের হাত না দেয়া। ২। পুকুর বা নদী-নালায় গোসল না করা। ৩। চোখের কালো চশমা ব্যবহার করা। ৪। রুমালের পরিবর্তে নরম ও পরিষ্কার টিস্যু ব্যবহার করুন। ৫। ধুলাবালি, আগুন ও রোদে কম যাওয়া। ৬। তোয়ালেসহ অন্যান্য জিনিস পরিবারের সবাই আলাদা ব্যবহার করা। ৭। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়া। ৮। চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া।

কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগ

লক্ষণ ও উপসর্গ ১। চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যাওয়া। ২। চোখের পাতা ফুলে যাওয়া। ৩। ঘুম হতে উঠার পর চোখের দুই পাতা একসঙ্গে লেগে থাকা। ৪। চোখ দিয়ে পানি পড়া। ৫। চোখের জ্বালাপোড়া ও চুলকানি হওয়া। ৬। চোখে হলুদ বা সাদা রঙের ময়লা জমা। ৭। আলোতে কষ্ট হওয়া। ৮। দেখতে সমস্যা হওয়া। উল্লেখ্য ভাইরাসজনিত চোখ ওঠায় পাতলা বর্ণহীন পানি পড়ে বেশি। তবে ব্যাক্টেরিয়াজনিত হলে নিঃসরণটি ঘন ও একটু হলদেটে হয়ে থাকে। প্রতিকার ১। চোখের হাত না দেয়া। ২। পুকুর বা নদী-নালায় গোসল না করা। ৩। চোখের কালো চশমা ব্যবহার করা। ৪। রুমালের পরিবর্তে নরম ও পরিষ্কার টিস্যু ব্যবহার করুন। ৫। ধুলাবালি, আগুন ও রোদে কম যাওয়া। ৬। তোয়ালেসহ অন্যান্য জিনিস পরিবারের সবাই আলাদা ব্যবহার করা। ৭। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়া। ৮। চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া।

কঙ্কালের কার্যক্রম এবং 'রডস ও লিভার' তন্ত্র

কঙ্কালের পেশি আলদাভাবে কাজ করতে পারে না। একটি পেশি যখন কঙ্কালের সাথে যুক্ত থাকে তখন সংযোগের স্থান ও প্রকৃতি নির্ধারণ করে দেয় এর বল, গতি ও সঞ্চালনের মাত্রা কেমন হবে। এসব বৈশিষ্ট্য স্বাধীন এবং এদের সম্পর্ক নির্ভর করে পেশি ও কঙ্কালতন্ত্রের উপর। নির্দিষ্ট একটি পেশির সংকোচনে যে বল, গতি ও সঞ্চালনের দিক প্রকাশ পায়তা বদলে দেয়া যাবে যদি ঐ পেশিকের একটি লিভারের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া যায়। লিভার (lever) এমন একটি অনমনীয় রড(rod) যা সন্ধির মাধ্যমে সৃষ্ট একটি স্থায়ী পয়েন্ট বরাবর ঘুরতে সক্ষম। শিশুদের দোলায়মান বা টলায়মান দাড়ান বা হাটা লিভার ক্রিয়ার পরিচিত উদাহরণ। লিভারের মাধ্যমে (১) আরোপিত (applied) দিক, (২) আরোপিত বলের প্রভাবে সৃষ্ট চলনের দুরত্ব ও গতি এবং (৩) আরোপিত বলের কার্যকর শক্তি (effective strength) পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ পেশিটানের ক্রিয়া কঙ্কালতন্ত্রের বিভিন্ন অংশে যেভাবে প্রকাশিত হয় তাতে কঙ্কালতন্ত্রে রড ও লিভার তন্ত্রের প্রভাব এবং আমাদের হাত-পা গুলোকে মেশিন ছাড়া আর কিছু ভাবার উপাই নেই। লিভারের প্রতি যে কোন বলপ্রয়োগকে বলে প্রচেষ্টা  (effort) । যে বল প্রয়োগে লিভারের চলন বাধাগ্রস্থ...